কেন এফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate marketing) করবেন ?

Affiliate marketing কি ?

অনলাইন থেকে আয়ের একটি বড় ক্ষেত্র হচ্ছে এফিলিয়েট প্রোগ্রাম। সহজ কথায় এফিলিয়েশন (Affiliate marketing) হচ্ছে অন্য কারো সেবা কিংবা পণ্য আপনি প্রচার প্রচারণা চালানোর মাধ্যমে সেল করলেন সেখান থেকে আপনি একটি কমিশন পাবেন। আবার ভেবে বসবেন না এটা ডেসটিনি টাইপের কোন কাজ। এখানে আপনাকে একটি পণ্যের রিভিউ দিয়ে বিভিন্ন সাইটে প্রচার প্রচারণা চালাতে হবে। সেল হলেই কমিশন। বিশ্বের বড় বড় অনলাইন সাইটগুলো আমাজন ইবে এগুলোতে এফিলিয়েশন এর ব্যবস্থা রয়েছে।

 কিভাবে Affiliate marketing কাজ করে

এমনকি আমরা যে ডাউনলোড করার জন্য IDM ব্যবহার করি সেটিতেই এফিলিয়েশন করার সুবিধা রয়েছে। তবে বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় সমস্যা হল পেমেন্ট নিয়ে আসা। পেপাল না থাকার কারণে শুধুমাত্র ব্যাংক এর মাধ্যমে পেমেন্ট নিয়ে আসা যায় কিছু কিছু সাইট থেকে ১৫ দিন পর পর।

এফিলিয়েশন (Affiliate marketing ) হচ্ছে কোন কোম্পানীর হয়ে প্রচারে সাহায্য করা। বিনিময়ে আপনি পাবেন কমিশন। আপনার ওয়েবসাইটে তাদের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করবেন। এজন্য সাধারনত তাদের নিজস্ব টেক্সট লিংক, ব্যানার বিজ্ঞাপন ইত্যাদির ব্যবস্থা থাকে। গুগলের এডসেন্স এর সাথে তুলনা করতে পারেন। তাদের সদস্য হবেন, তাদের সাইট থেকে কোড আপনার সাইটে ব্যবহার করবেন, আপনার সাইটে তাদের বিজ্ঞাপন দেখা যাবে।

Affiliate Marketing

 

 

 Affiliate marketing : Ad Network

এফিলিয়েট নেটওয়ার্কের মত অনলাইন বিজ্ঞাপনের জন্যও রয়েছে নেটওয়ার্ক। যারা বিজ্ঞাপন দিতে আগ্রহী তারা তাদের মাধ্যমে সহজে বিজ্ঞাপন দেয়ার সুযোগ পান। তাদের প্রচার করেও আপনি আয় করতে পারেন।

Affiliate marketing :Pay Per Sale

যারা অনলাইনে বিক্রি করে তাদের পন্য বিক্রি করে আপনি কমিশন পেতে পারেন।এক্ষেত্রে শর্ত হচ্ছে বিক্রি না হওয়া পর্যন্ত আপনি টাকা পাবেন না। ই-বে, আমাজন এর পন্য নিজের সাইটে রেখে এভাবে বিক্রি করে টাকা পেতে পারেন।

 

 

Affiliate Marketing

 

Affiliate marketing : Pay Per Lead

আপনার লিংক থেকে কেউ তাদের সাইটে গিয়ে ফরম পুরন করলে বা সদস্য হলে আপনি টাকা পাবেন। শুধুমাত্র তাদের সাইটে গেলেই আপনি টাকা পাবেন না। অবশ্য এক্ষেত্রেও টাকার পরিমান ক্লিক করে টাকা পাওয়ার থেকে অনেক বেশি।

Affiliate marketing : Residual Income

আপনার পাঠানো ক্রেতা যতবার কিছু কিনবেন ততবার আপনি সেখান থেকে কমিশন পাবেন। অনেকে সারাজীবন এই কমিশনের সুযোগ দেয়।

Affiliate marketing : Business Opportunities

অনলাইন ব্যবসার পরামর্শ, ঘরে বসে আয় করার পদ্ধতি ইত্যাদি নিয়ে কাজ করা কোম্পানী।  এদের কাছে ক্লিক করার জন্য এবং বিক্রির কমিশন দুইই পাওয়া যায়।

যারা এফিলিয়েট মার্কেটিং(Affiliate marketing ) কাজে নামেন তারা নিজের ভাগ্য নিজে গড়ে নিতে চান।নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করার তাগিদ নেই, কেউ খবরদারি করার নেই। মুলত এইস্বাধীনতার কারনেই অধিকাংশ মানুষ এদেকে আকৃষ্ট হন। সেইসাথে অধিক পরিমানআয়ের বিষয় তো আছেই। এইকাজে প্রতিযোগিতা অত্যন্ত বেশি।  এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সফলতা নির্ভর করে দীর্ঘদিনের কর্মফলের ওপর।  আপনিহঠাত করেই এই কাজে ভাল করতে পারেন না। যদি আমাজন, ই-বে এদের এফিলিয়েশন নিয়ে ওয়েবসাইট ব্যবহার করেন তাহলে কয়েক মাস কিংবা বছর ধরে আপনাকে ভিজিটর আনারচেষ্টা করে যেতে হবে। ভিজিটর কি পছন্দ করেন সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে।

একটি একাউন্ট খুললেন আর আপনার পণ্যের সেল হল তা নয়। এজন্য আপনাকে সময় দিতে হবে। আপনার সাইটের জন্য এসইও করতে হবে। যাতে করে নির্দিষ্ট সংখ্যক ভিজিটর আসে সাইটে। আবার দেখা গেল ১০ হাজার ভিজিটর এসেছে প্রতিদিন কিন্তু সেল হয় নি একটিও। তা হলে সমস্ত শ্রম বৃথা। তাই এমন ভাবে কাজ করুন। প্রতিদিন ১০০ জন ভিজিটর আসলে সেখান থেকে যেন অন্তত ৫টি সেল হয়। আমার পরিচিত একজন রয়েছেন যিনি এফিলিয়েশন এর মাধ্যমে প্রতিমাসেই বিপুল পরিমাণে অর্থ পেয়ে থাকেন। তার সাইটের সংখ্যা ২০টির কম নয়। বাংলাদেশে বড় বড় ফ্রিল্যান্সিং ট্রেনিং প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিদের হাতেখড়ি হয়েছে তারই হাতে। অনলাইনে ফেক সাইটের সংখ্যা কম নয়। যেখানে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেল হচ্ছে অথচ কমিশন পাওয়া যাচ্ছে না। তাই নির্ভরযোগ্য সাইটে শ্রম দিয়ে সফলতা পাওয়া সম্ভব। আর ভিজিটরের উপরে নির্ভর করেই এফিলিয়েশন (Affiliate marketing ) তাই নির্দিষ্ট হারে ভিজিটর নিয়ে আসতে হবে সাইটে।

ধরুন আপনি আমাজানের সাইকেল বিক্রির জন্য সাইট বানাবেন। এখন এই সাইকেলের রয়েছে হাজারও মডেল আর কম্পানি। তাই “বাই সাইকেল” আপনার জন্য কোন উপযুক্ত “নিস” হতে পারে না। এজন্য আপনাকে কি ওয়ার্ড রিসার্চ শিখতে হবে। যা এসইও এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কি ওয়ার্ড রিসার্চ এর মাধ্যমে আপনাকে নির্দিষ্ট মডেলের বাইসাইকেল বেছে নিতে হবে। যার আছে মাসে কমপক্ষে ২০০০+ এক্সাক্ট সার্চ ভলিউম। আর প্রতিযোগিতা করার মত আনুসাঙ্গিক বিষয় গুলো যেমনঃ ব্যাক লিঙ্কসহ আরও অনেক কিছু।

কাজটি যেহেতু ইন্টারনেট ভিত্তিক তাই কম্পিউটার ও ইন্টারনেট চালনায় পারদর্শী হতে হবে। সাথে আর যা লাগবে সেটি হল সবচেয়ে বেশি দরকারি ইংরেজিতে পারদর্শিতা ও লেখার ক্ষমতা। এই গুনাবলি গুলো থাকলে আপনি খুব সহজেই এই কাজে লেগে যেতে পারেন। আর আপনার যদি এগুলো কোন ১টি বা একটিও না থাকে তাহলেও ভয় এর কিছু নেই। এগুলো শিখে নিন। তারপর ঝাঁপ দিন এফিলিয়েট মার্কেটিং এর বিশাল সমুদ্রে।

2 thoughts on “কেন এফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate marketing) করবেন ?

  • October 18, 2012 at 1:58 am
    Permalink

    এফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে ইদানিং অনেকের ব্যাপক আগ্রহ দেখা যাচ্ছে
    আমাদের ছেলেরা ভালই করছে
    চালিয়ে যান
    ধন্যবাদ

    • October 25, 2012 at 7:02 am
      Permalink

      Sorry for late reply.
      Thanks for your Valuable Comment.

Leave a Reply


SEO Powered By SEOPressor